Posts

Showing posts from May, 2016

ফার্মেসি যেগুলো ২৪ ঘণ্টা খোলা

Image
দিনরাত ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে এমন কিছু ফার্মেসির নাম-ঠিকানা ও ফোন নম্বর ইবনে সিনা হাসপাতাল ফার্মেসি  : বাড়ি-৬৮, রোড  ১৫/এ, ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা, ঢাকা। ফোন : ৮১১৯৫১৩-১৫। ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতাল ফার্মেসি  কাকরাইল, ফোন : ৯৩৫৫৮০১-২, ৯৩৬০৩৩১-২ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল ফার্মেসি  : মতিঝিল, ঢাকা। ফোন : ৯৩৩৬৪২১-২৩ ২৪ ঘণ্টা ফার্মেসি  : বাড়ি-১৪/ই,  সড়ক-৬, ধানমন্ডি, ঢাকা। ফোন : ৯৬৭০৩৯৭ (গণস্বাস্থ্য হাসপাতাল ভবনে অবস্থিত)। গ্রিন আই ফার্মেসি  : বাড়ি-৩১,সড়ক-৬, ধানমন্ডি, ঢাকা। ফোন : ৮৬১২৪১২, ৮৬১৯০৬৮ চাওয়া পাওয়া ফার্মেসি  : প্লট-এম-১/সি, সেকশন-১৪, মিরপুর, ঢাকা। ফোন : ৮১১৩০১০, ৮১১৮৫২২ (আহছানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতালে অবস্থিত)। গাজী মেডিক্যাল হল  : ১২২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, শাহবাগ, ঢাকা। ফোন : ৯৬৬১৫৫১-৬০ (ডায়াবেটিক হাসপাতাল সংলগ্ন)। লাজ ফার্মা  : ৬৪/৩ লেক সার্কাস, কলাবাগান, ঢাকা। শাখা : পান্থপথ, পল্লবী, উত্তরা। ফোন : ৯১১০৮৬৪, ৯১১৭৮৩৯, ৯১১১৮৪৩, ৯০০৯৯৮৫, ৮৯১৮২৬৪। ফার্মেসি health tips কমফোর্ট ফার্মেসি  : ১৬৭/বি...

আজ আপনি প্রিয় কাউকে জড়িয়ে ধরেছেন তো?

Image
শিরোনাম পড়ে অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন জড়িয়ে ধরার কথা কেন বলছি তাই না? তাহলে একটু ভাবুন তো, খুব বিপদের সময়ে মা এসে যখন জড়িয়ে ধরেন, কতটা স্বস্তি লাগে আপনার।  প্রিয় মানুষটি যখন ভালোবেসে বুকে টেনে নেয়, কতটা নিরাপদ অনুভব করেন। কিংবা মনে করুন বন্ধুদের শক্ত সেই আলিঙ্গন, সন্তান কিংবা ছোট ভাইবোনের আদুরে সেই গলা জড়িয়ে ধরা। কাউকে ভালোবেসে জড়িয়ে ধরার আছে অনেক উপকারিতা। ভালোবেসে কাউকে আলিঙ্গন করলে নিরাপত্তার অনুভূতি হয়। সেই সঙ্গে বাড়ে বিশ্বাস ও আস্থা। আলিঙ্গন করলে বৃদ্ধি পায় মানসিক শান্তি। সেই সঙ্গে কমে যায় অস্থিরতা। আসুন জেনে নেয়া যাক প্রিয় মানুষদের আলিঙ্গনের ৭টি উপকারিতা। মন ভালো হয়ে যায়: আলিঙ্গন করলে শরীরে অক্সিটসিনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। অক্সিটসিন মনের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি করে যা ভালো লাগার অনুভূতি সৃষ্টি করে। ফলে কাউকে আলিঙ্গন করলে মন ভালো হয়ে যায় এবং বিশ্বাস ও আস্থা বেড়ে যায়। উচ্চ রক্তচাপ কমে: যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আছে তাঁরা প্রিয়জনকে আলিঙ্গন করুন। কারণ যত বেশি আলিঙ্গন করা হবে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি। কাউকে আলিঙ্গন করলে মানসিক প্রশান্তি মেলে যা রক...

মধুতে আমলকি ভিজিয়ে খেলে কী হয়?

Image
লিভার ভালো রাখে মধু ও আমলকি একসাথে খেলে লিভারের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এটি লিভার থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে। এটি লিভারের কার্যক্ষমতা ভালো করতে সাহায্য করে। বার্ধক্যের চিহ্ন প্রতিরোধ করে মধুর মধ্যে আমলকি মিশিয়ে খেলে ত্বক বুড়িয়ে যাওয়ার গতিকে ধীর করে। এই উপকার পেতে মিশ্রণটি প্রতিদিন এক চা চামচ করে খেতে হবে। এটি বলিরেখা দূর করতেও সাহায্য করে। অ্যাজমা প্রতিরোধ করে মধুর মধ্যে আমলকি ভিজিয়ে খেলে অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস এবং অন্যান্য শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা অনেকটাই কমে। এরমধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, এটি ফুসফুস থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে এবং ফ্রি রেডিকেলস দূর করতে সাহায্য করে। এটি ফুসফুসের নালীকে সরু করে দেয় এবং অ্যাজমার আক্রমণ প্রতিরোধ করে। কফ, ঠান্ড প্রতিরোধ করে কফ, ঠান্ডা এবং গলার সংক্রমণ প্রতিরোধে এই মিশ্রণ বেশ সাহায্য করে। ঠাণ্ডার সময় এক টেবিল চামচ আমলকি ও মধুর মিশ্রণ খেলে আরাম পাওয়া যায়। এর সাথে একটু আদার রস মেশাতে পারেন। আমলকি ও মধু গলার সংক্রমণের সাথে লড়াই করে। হজমের সমস্যা সমাধানে এসিডিটি আর হজমের সমস্যা সমাধানে আমলকি ও মধু খুব ভালো উপাদান। এটি খাবার ভালোভাবে হজমে...

দিনে ১টি আপেল রোগ দূরে রাখে?

Image
প্রতিদিন একটি আপেল খেলে রোগ-বিরোগেও ভুগবেন না আপনি এবং চিকিৎসকের শরণাপন্নও হতে হবে না- এটাই বলে সর্বজনবিদিত প্রবাদটি। কিন্তু আসলেই কি প্রতিদিন নিয়ম করে একটি আপেল খেলে রোগজীবাণু আর অসুখ-বিসুখ থেকে দূরে থাকা যায়? না, সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে এমনটাই। গবেষণার ফল বলছে, যারা নিয়মিত আপেল খান- তাদেরকেও অন্য আর দশজন সাধারণ লোকের মতোই অসুখবিসুখ নিয়ে চিকিৎসকের দ্বারস্ত হতে হয়। অর্থাৎ যারা নিয়মিত বা একেবারেই আপেল খান না, তারা যেমন অসুখ-বিসুখে ভোগেন, তাদের সাথে নিয়মিত আপেল খাওয়া ব্যক্তিদের তফাত নেই মোটেই। মোটের ওপর পুরো বিষয়টি নির্ভর করে একজন ব্যক্তির শারীরবৃত্তীয় অবস্থার ওপরেই। গবেষণায় দেখা গেছে, ওজন, জাত, শিক্ষাগত ভেদাভেদ ইত্যাদির ওপর নির্ভর করে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং এর ওপরই নির্ভরশীল রোগপ্রবণতার মাত্রা। এছাড়া স্বাস্থ্য বীমা সংক্রান্ত কাজেও অনেক সময় রোগ না হলেও চিকিৎসকের শরণাপন্ন তো মাঝে মাঝে হতেই হয়! ২০০৭ থেকে ২০০৮ এবং ২০০৯ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন সরকারি স্বাস্থ্য জরিপে অংশ নেয়া আট হাজার চারশ’ জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন গবেষকরা। গবেষণায় অংশ ...

স্তন ক্যানসার — আপনি পরীক্ষা করিয়েছেন তো?

Image
অক্টোবর দুনিয়াজুড়ে স্তন ক্যানসার সচেতনতার মাস হিসেবে পরিচিত। স্তন ক্যানসার নির্ণয়ে ম্যামোগ্রামের গুরুত্ব অনেক।  লক্ষণ প্রকাশের বেশ আগেই স্তন ক্যানসার নির্ণয় করা যায় বলেই ‘স্ক্রিনিং ম্যামোগ্রাম’ বর্তমান সময়ের আলোচিত পরীক্ষা। কারণ, দ্রুত শনাক্ত করা গেলেই উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগ করে দ্রুত স্তন ক্যানসার নিরাময় করাও সম্ভব। স্তনের একটি বিশেষ ধরনের স্বল্পমাত্রার এক্স-রেকে বলা হয় ম্যামোগ্রাম। ক্যানসারসহ নানা রোগ নির্ণয় করতে এ পরীক্ষা করা হয়। দুই ধরনের ম্যামোগ্রাম প্রচলিত। যেমন প্রচলিত (কনভেনশনাল) ফিল্ম স্ক্রিন ও ডিজিটাল ম্যামোগ্রাম, যার মধ্যে ডিজিটাল ম্যামোগ্রামই দ্রুত এবং প্রাথমিক পর্যায়ের স্তন ক্যানসার নির্ণয়ে বেশ কার্যকর। হাত দিয়ে অনুভব করা যায় না এমন প্রাথমিক ক্যানসারও ম্যামোগ্রামের মাধ্যমে নির্ণয় করা সম্ভব। আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটির নির্দেশনা অনুযায়ী ৪০ থেকে ৪৯ বছর বয়সী নারী, যাঁদের স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, তাঁদের বছরে একবার ম্যামোগ্রাম করানো দরকার। এমনটাই মত দেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা । ৫০ থেকে ৫৯ বছর বয়সী সব নারীর প্রতি দুই বছরে অন্তত একবার ম্যামোগ্রাম কর...

কীভাবে বুঝবেন ওষুধে অ্যালার্জি

সব ওষুধেই কমবেশি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে, কিন্তু কোনো কোনো বিশেষ ওষুধ বা রাসায়নিকের প্রতি ব্যক্তিবিশেষের থাকতে পারে অতিসংবেদনশীলতা। যার ফলে দেখা দিতে পারে গুরুতর অ্যালার্জি। এ থেকে জীবন বিপন্নও হতে পারে কখনো কখনো। এ বিষয়ে লিখেছেন ডা. নাজমুল কবীর কোরেশী ঝুঁকিপূর্ণ ওষুধসমূহ কিছু ওষুধে প্রতিক্রিয়া বেশি ঘটে। যেমন: পেনিসিলিন, সেফালোস্পোরিন-জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক, সালফারযুক্ত ওষুধ, ভ্যাকসিন, এলুপিউরিনল, উচ্চ রক্তচাপের কিছু ওষুধ যেমন এসিই ইনহিবিটর, কিছু খিঁচুনি প্রতিরোধক ওষুধ ইত্যাদি। তবে ব্যক্তিবিশেষের ওপর নির্ভর করে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার তীব্রতা। কারণ কী? কোনো ধরনের একটি ওষুধে আগে যদি কারও অ্যালার্জি হয়ে থাকে, তবে একই শ্রেণীর বা কাছাকাছি রাসায়নিক গড়নের অন্য ওষুধ ব্যবহারেও অ্যালার্জির ঝুঁকি থাকে। কিছু ওষুধ যেমন পেনিসিলিনে অ্যালার্জির পারিবারিক ইতিহাস থাকতে পারে। স্বল্প সময়ে একই ওষুধ বারবার ব্যবহার এর ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। কীভাবে বুঝবেন ওষুধে অ্যালার্জির সাধারণ লক্ষণ হলো: ত্বকে লালচে দানা বা র‌্যাশ, চুলকানি, ত্বক চাকা চাকা হয়ে ওঠা, শ্বাসকষ্ট, মুখ-গলা ফুলে যাওয়া ইত্যাদি। জ্বর...

পায়ের নখের ফাঙ্গাস ভালো করার ৩টি পদ্ধতি

Image
পায়ের নখ খুব সহজেই ফাঙ্গাসের আক্রমণের শিকার হয়। কারণ পায়ের নখ ধুলোবালির খুব কাছাকাছি থাকে। এছাড়াও যারা বন্ধ জুতো পড়েন এবং পায়ে ঘামের সমস্যা রয়েছে তারাও পায়ের নখের ফাঙ্গাসের সমস্যায় ভুগে থাকেন। এটি খুবই বিরক্তিকর একটি সমস্যা।  নখের আকৃতি অনেক বেশি বড় হয়ে যায়, ফুটে উঠে এবং হলদেটে আকার ধারণ করে যা একেবারেই বিশ্রী লাগে। ঘরে বসেই নিচের পদ্ধতি গুলোর মাধ্যমে দূর করে দিতে পারেন পায়ের নখের ফাঙ্গাস। ১/ বেকিং সোডার ব্যবহার – কুসুম গরম পানিতে বেকিং সোডা মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি ফাঙ্গাস আক্রান্ত নখের উপরে লাগিয়ে রাখুন শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত। এভাবে দিনে ২/৩ বার করুন যতোদিন পর্যন্ত না ফাঙ্গাস দূর হয়। এছাড়াও জুতোর ভেতরে বেকিং সোডা ছিটিয়ে নিতে পারেন। বেকিং সোডার অ্যাল্কালাইন ফাঙ্গাসের সমস্যা দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী। ২/ হলুদের ব্যবহার – অলিভ অয়েল বা আমন্ড অয়েলে খানিকটা কাঁচা হলদু কুচি করে কেটে জ্বাল দিয়ে ছেঁকে হলুদের তেল তৈরি করে নিন। এবার এই হলুদের ১ টেবিল চামচ তেলের সাথে ৩ টেবিল চামচ পানি মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি পায়ের ফাঙ্গাস আক্রান্ত নখে neil লাগান। দিনে ৩...

যে খাবারে শক্তি বাড়ে !

Image
কোন কোন খাবার খেলে সহজেই শক্তি বৃদ্ধি হয় তা জানা থাকলে কার্যক্ষমতা নিয়ে চিন্তা থাকে না। চলুন দেখা যাক কোন খাবারে কেমন গুণাগুণ। ডিম খেলে শক্তি বাড়ে ডিমের কুসুম শরীরের জন্য খুব উপকারী। এতে প্রচুর ভিটামিন বি থাকে, যা শরীরে শক্তি সরবরাহে সাহায্য করে। ডিমের মধ্যে বিদ্যমান ভিটামিন ডি হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে।  এছাড়া প্রোটিনের ব্যাপক সরবরাহ করে ডিমের কুসুম। শক্তি বাড়াতে পানিকে গুরুত্ব দিন পানির বিকল্প কিছু নেই— এটা আমরা সবাই জানি। তবে পানি কী জন্য এত প্রয়োজনীয় তা এর গুণাগুণ জানলেই বোঝা যায়। শরীরে শক্তি জোগাতে এবং পুষ্টি সরবরাহ করতে এটি বিশেষ ভূমিকা রাখে। এছাড়া শরীরের অপ্রয়োজনীয় উপাদান পানির কারণে মূত্র আর ঘামের সঙ্গে বের হয়ে যায়। এতে শরীর অনেক বেশি সতেজ থাকে। চায়ের চেয়ে কফি ভালো চায়ের থেকে কফি অনেকের প্রিয়। এতে অনেক বেশি ক্যালসিয়াম আর ভিটামিন ডি থাকায় ব্যায়াম বা শারীরিক কসরতজনিত যেকোনো কাজে অনেক বেশি শক্তি জোগায়। সয়াবিন সয়াবিনে ভিটামিন বি, বি কমপ্লেক্স থাকে। এছাড়া কপার ও ফসফরাস থাকার ফলে খাবারকে ভেঙে তার পুষ্টি গুণাগুণ শরীরে সরবরাহ করতে সাহায্য করে। বা...

রাতে ঘুমানোর আগে পায়ের যত্ন

Image
Tips : কর্মব্যস্ত আপনি বাড়ি ফিরে একটু পানি গরম করে নিন। পা দুটি গরম পানিতে খানিকক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। এতে আপনার সারা দিনের ক্লান্তি যেমন দূর হবে, পাশাপাশি দূর হবে সারা দিনের পায়ে লাগা ধুলাবালি আর ময়লা। ঝামা পাথর দিয়ে গোড়ালি হালকা ঘষেও নিতে পারেন। তার পর ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন।

চোখ ও ত্বক আজীবন সুস্থ রাখতে চান? জেনে নিন কী খাবেন?

Image
যত দিন বাঁচবেন, সুস্থ চোখ নিয়ে বাঁচবেন বলে ভাবছেন? কিংবা ত্বকের কমনীয়তা কী করে বাড়ানো যায়, সে উপায় খুঁজছেন? চিকিৎসক বা বিউটিশিয়ানের কাছে না ছুটে আজ থেকে নিয়মিত মিষ্টি কুমড়া রাখুন খাদ্যতালিকায়। আপনার চোখ ও ত্বকের যত্নের ভার অনায়াসেই ছেড়ে দিতে পারেন পুষ্টিকর এই সবজির ওপর। ঘন্ট কিংবা ভাজি, যেভাবেই খান না কেন, মিষ্টি কুমড়ার পুষ্টি উপাদান অক্ষুণ্ন থাকে। পশ্চিমারা এই সবজি দিয়ে মজাদার পাই তৈরি করে। পামকিন পাই বিশ্বজুড়েই সমাদৃত। এই সবজির খোসা থেকে বিচি—সবটাই ভক্ষণযোগ্য। এক কথায় এই সবজির ফেলনা নয় কিছুই। চোখ প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদানের ‘পাওয়ার হাউস’ বলা যেতে পারে মিষ্টি কুমড়াকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত খাদ্যতালিকায় মিষ্টি কুমড়া রাখলে কেবল চোখ ও ত্বক সুস্থ থাকে না, এড়ানো যায় অনেক অসুখ-বিসুখ। মিষ্টি কুমড়ায় রয়েছে প্রচুর অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও খনিজ লবণ। বিটাক্যারোটিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই–এর পাশাপাশি ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, লোহা ও ফসফরাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদানেও সমৃদ্ধ এই সবজি। চোখের যত্নে: রান্না করার পর মিষ্টি কুমড়ার বিটাক্যারোটিন ভিটামিন এ–তে পরিণত হয়। আর...

স্ত্রী পরকীয়া করার কারণ

Image
পরকীয়ার সম্পর্ক আজকাল কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয়। যে হারে মানুষ পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে যাচ্ছেন এতে করে বিষয়টি দিনকে দিন উন্মুক্ত হয়ে যাচ্ছে সকলের কাছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে মানুষ ঠিক কি কারণে পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে যান? স্ত্রী পরকীয়া করার কারণ যদি মনে করেন পরকীয়ার সম্পর্কে জড়ানোর জন্য শুধু আপনার সঙ্গীই দায়ী তাহলে আপনি ভুল ভাবছেন। মানুষ ঠিক কেন পরকীয়ার সম্পর্কে জড়ান এই সম্পর্কে রুটজার ইউনিভার্সিটির বায়োলজিক্যাল অ্যান্থ্রোপলজিস্ট হেলেন ফিশার, তার বইয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। পরকীয়া পরকীয়া শুধু একপক্ষের ভুলের কারণে পরকীয়ার সম্পর্কের উৎপত্তি নয়। পরকীয়ার সম্পর্কে জড়ানোর জন্য দুই পক্ষেরই ভুল রয়েছে। বিশেষ করে একজন নারী যখন পরকীয়ার সম্পর্কে জড়ান তখন তার স্বামীর অনেকটা ভূমিকা থাকে। জানতে চান কীভাবে? ১) তিনি আপনার ব্যাপারে অনেক দ্বিধায় ভোগেন আপনার তার প্রতি অনীহা এবং অতিরিক্ত কাজের ব্যস্ততায় তাকে অবহেলা করার বিষয়টি একজন নারী পুরোপুরি উল্টো ভাবে দেখেন। নারীরা ভাবেন আপনার নিজের অন্য কোথাও সম্পর্ক রয়েছে যার কারণেই এই অবহেলা। আর এই দ্বিধা থেকেই তার জড়িয়ে যান পরকীয়ায়। ২) তার প্রয়োজনে আপনি কখনোই সাপোর্ট...

গর্ভাবস্থায় ঝুঁকি- Pregnancy Care Advice in Bangla

Image
কটি কথা প্রায়ই শোনা যায়, ‘আমার স্ত্রীতো অসুস্থ’ বা অমুক ভাবী, খালা অসুস্থ’। কেন, কী হয়েছে, কেন জানেন না, উনার তো বাচ্চা হবে। মেয়ে মাত্ররই তো মা হবে, এটাই প্রাকৃতিক নিয়ম। এটা তো আর ৫-১০টা রোগের মতো অসুস্থতা নয়। বাচ্চা হওয়াটা শরীরের একটা অবস্থা মাত্র। এটা কোন রোগ নয়। কাজেই প্রথম থেকে মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলা উচিত এই ভাবনা। Pregnancy Care Advice Pregnancy Care Advice Pregnancy Care Advice in Bangla এজন্যই চিকিত্সকগণ বলেন, মা হওয়ার আগে শারীরিক-মানসিক প্রস্তুতির বিশেষ প্রয়োজন আছে। প্রাপ্ত বয়স্ক একজন নারী যখন মানসিকভাবে প্রস্তুত হবেন মা হওয়ার জন্য তখনই তার সন্তানধারণ করা উচিত। তার আগে নয়। কাজেই সন্তান ধারণের আগে একজন মায়ের যেমন প্রস্তুতি আছে, তেমনি পরিবারের আর সবারও আছে। নিচে গর্ভকালীন কিছু জটিলতার কথা উল্লেখ করা হলো। নূন্যতম প্রস্তুতি এবং সচেতনতা থাকলেও এগুলো মোকাবিলা করা তেমন কোন সমস্যা নয়। তবে জানা থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেমন- রক্ত স্বল্পতা, জন্ডিস, খিঁচুনি, পা ফুলে যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ, অতিরিক্ত বমি হওয়া, পেটে ব্যথা, বিশেষ করে তলপেটে ও শ্বাসকষ্ট হওয়া। প্রায়ই জবর হওয়া ডায়াবে...

ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ ৬ টি খাবার যা হাড়ের জন্য বেশ উপকারী

Image
প্রতিদিন আমরা শরীরের বিভিন্ন চাহিদা পূরণ করতে বিভিন্ন ধরনের খাবার খেয়ে থাকি। এই খাবারগুলো আমাদের দেহে ভিটামিন, মিনারেল, প্রোটিন সরবরাহ করে থাকে। এছাড়া আরও অনেক ধরনের উপাদানই আমাদের দেহের জন্য বেশ প্রয়োজনীয় তার মধ্যে ক্যালসিয়াম অন্যতম। কেননা ক্যালসিয়াম আমাদের দেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে সেটি হল দেহের হাড় মজবুত করে থাকে। আসুন এমনই কিছু ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার সম্পর্কে জেনে নিই যেগুলো আমাদের দেহের হাড় মজবুতে সহায়তা করে থাকে। ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ ৬ টি খাবার যা হাড়ের জন্য বেশ উপকারী১. দুধ : দুধ সর্বোৎকৃষ্ট ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ একটি খাবার। শুধুমাত্র বাচ্চাদের জন্যই না এটি প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্যও একটি প্রয়োজনীয় খাবার। এটি এমনই একটি খাবার যা দেহে খুব সহজেই জারিত এবং শোষিত হয়ে থাকে যার ফলে শারীরিক বৃদ্ধি এবং হাড় মজবুতে সহায়তা করে থাকে। ২. দই : এটি প্রোটিন সমৃদ্ধ একটি খাবার। এতে কিছু স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া রয়েছে যা হজমে সহায়তা করে। এছাড়া এতে প্রায় ৪০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম রয়েছে যা হাড় মজবুত করে থাকে। ৩. সবুজ শাক সবজি : বিভিন্ন প্রকারের সবুজ শাক সবজিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম আছে। য...

খালি পেটে রসুন খাবার সুবিধা সমূহ

Image
খালি পেটে রসুন খাবার সুবিধা সমূহ: আমরা ছোট কাল থেকে খালি পেটে রসুন খাবার কথা শুনে এসেছি। যা অনেকের কাছে নানী-মায়ের রেসিপি নামেও পরিচিত। খালি পেটে রসুন খাবার বিষয়ে বিভিন্ন মতবাদ রয়েছে। খালি পেটে রসুন খেলে বিভিন্ন রোগ দূর হবার সাথে সাথে বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধও গড়ে তোলে। খালি পেটে রসুন খাবার উপকারিতা জেনে নিন- ১. প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক:- গবেষণায় দেখা গেছে, খালি পেটে রসুন খাবার ফলে এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক এর ন্যায় কাজ করে। সকালে নাস্তার পূর্বে রসুন খেলে এটি আরও কার্যকরীভাবে কাজ করে। তখন খালি পেটে রসুন খাবার ফলে ব্যাকটেরিয়াগুলো উন্মুক্ত হয় এবং তখন রসুনের ক্ষমতার কাছে তারা নতিস্বীকার করে। তখন শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া সমূহ আর রক্ষা পায় না। খালি পেটে রসুন খাবার সুবিধা২.উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে:- অসংখ্য মানুষ যারা উচ্চ রক্তচাপের শিকার তারা দেখেছেন, রসুন খাবার ফলে তাদের উচ্চ রক্তচাপের কিছু উপসর্গ উপশম হয়। রসুন খাবার ফলে তারা শরীরে ভাল পরিবর্তন দেখতে পায়। ৩.অন্ত্রের জন্য ভাল:- খালি পেটে রসুন খাবার ফলে যকৃত এবং মূত্রাশয় সঠিকভাবে নিজ নিজ কার্য সম্পাদন করে। এছাড়াও, ...

মিষ্টি খাওয়ার সঠিক সময় কোনটি?

Image
মিষ্টি খাওয়ার সঠিক সময় কোনটি? ভাবছেন, মিষ্টি তো মিষ্টিই! এটা খাওয়ার আবার সঠিক সময় কী? হ্যাঁ, আসলেই কিন্তু মিষ্টি খাওয়ারও সময় আছে। এবং এটা মোটেও আমাদের কথা নয়, ডাক্তারের কথা! মিষ্টি জাতীয় খাবার এমনিতেই আপনার দেহের জন্য খুব একটা ভালো নয়। কারণ এতে নষ্ট হয় দাঁত, বাড়ে ওজন, মিষ্টি প্রীতি নষ্ট করে দিতে পারে আপনার সৌন্দর্যও । একই সাথে আপনি যখন-তখন মিষ্টি খেলে শারীরিক ক্ষতিগুলোর সম্ভাবনাটাও বেড়ে যায় অনেকখানি। মিষ্টি খাওয়ার সঠিক সময় কোনটি যেমন, চিকিৎসকদের মতে রাতের বেলা মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত নয় মোটেই। অনেকেই রাতে খাবারের পর একটু ডেজারট চেখে থাকেন, যেটা আসলে স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে। মিষ্টি খেয়ে দাঁত না মাজলে দাঁতের ক্ষতি তো হবেই, এর সাথে রাতের বেলা মিষ্টি খাওয়ায় বেড়ে যায় ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকিও। http://bangla24health.blogspot.com/ http://bangla24health.blogspot.com/ http://bangla24health.blogspot.com/  কেননা দিনের শুরুতে আমাদের মেটাবলিজম বা হজম ক্ষমতা থাকে উচ্চ। এই সময়ে যা খাওয়া হয়, তাঁর প্রায় পুরোটাই হজম ও খরচ হয়ে যায় শরীরের পেছনে। তাই একটুখানি মিষ্টি ...

স্তনদানে মায়ের দুরারোগ্য ব্যাধির মুক্তি

Image
নবজাতকের জন্য মায়ের দুধ একমাত্র ভরসা। এই অমোঘ সত্য বাণী দেশের আনাচে কানাচে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে সরকারি বেসরকারি নানা মাধ্যমে। অপরদিকে অনেক মা জানেন না, স্তনদানে তিনিও নিজের কী উপকার করছেন। সেই উপকারের মাত্রাই বা কতটুকু? সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গেছে, নবজাতককে স্তনদানের মাধ্যমে একজন মা ক্যানসারসহ বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধি প্রতিরোধে সক্ষম হয়ে ওঠেন। অবস্টেট্রিকস ‍অ্যান্ড গাইনিকোলজিতে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, নবজাতকের জন্মের পর থেকে এক বছর পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়ালে মা ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা ৫ হাজার বারের বেশি সময় এড়িয়ে যেতে সক্ষম হন। শুধু তাই নয়, উচ্চরক্তচাপের ঝুঁকি থেকে মুক্ত থাকেন প্রায় ৫৪ হাজার বার এবং হার্টঅ্যাটাক থেকে মুক্ত থাকেন প্রায় ১৪ হাজার বার। এভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এসব রোগ এড়াতে পারলে একবছরে চিকিৎসাজনিত খচর বাঁচে ৮৬ কোটি মার্কিন ডলার। গবেষণা টিমের প্রধান হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. মেলিসা বারটিক তার সদস্যদের নিয়ে কয়েক দশক ধরে গবেষণাটি চালিয়েছেন। ১৫ বছর থেকে ৭০ বছরের ২০ লাখ মার্কিন নারীর ওপর এ গবেষণা চালানো হয়।

হার্ট অ্যাটাকের করণীয় এবং বর্জনীয় বিষয়গুলো জেনে নিন

Image
যখন হার্টে রক্ত সঠিকভাবে চলাচল করতে পারে না তখনই হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকে এবং পরিমাপমত অক্সিজেন না পেলে হার্টের পেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রতিবছর হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হচ্ছে অসংখ্য মানুষ এমনকি মৃত্যুকোলে ঘুমিয়ে পড়ছে। তাই সতর্ক অবলম্বন করাই বুদ্ধিমানের কাজ। তবে এর পেছনে দায়ী থাকে শুধুই অসাবধানতা, অসতর্কতা এবং নানা শারীরিক জটিলতা। হার্ট অ্যাটাকের পর অনেক নিয়ম কানুন কঠোর ভাবে মেনে চললেই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা সম্ভব। আপনার সাবধানতা বাঁচাতে পারে একটি জীবন। তাই আমাদের করণীয় এবং বর্জনীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে অবগত হতে হবে। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক বিষয়গুলো সম্পর্কে ——– হার্ট অ্যাটাকের পর অবশ্যই করণীয় – ১) পুরো রুটিন তৈরি করে খাওয়া-দাওয়া, বিশ্রাম ও ঔষধের ব্যবস্থা করতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই রুটিনের বাইরে যাওয়া যাবেন না হার্ট অ্যাটাকের পরবর্তী ৪-৬ সপ্তাহ সময় পর্যন্ত। ২) হাসপাতাল থেকে ফেরার প্রথম দিকে ঘরেই হালকা হাঁটাহাঁটি ও অল্প ব্যায়াম শুরু করা উচিত। এরপর সময়ের সাথে সাথে বাড়ির বাইরে হাঁটাচলা ও ব্যায়াম করা উচিত। এবং প্রথম দিকে ৫-১০ মিনিট পরে প্রতি সপ্তাহে ৫-১০ মিনিট করে হাঁটাচলা ও ব্যায়ামের সময়...

অ্যাসিডিটির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়ার কৌশলটি জেনে নিন নিমিষেই

Image
ভেজালযুক্ত জগতে পরিপাকতন্ত্র সংক্রান্ত অসুখবিসুখ একটি কমন বিষয়। অ্যাসিডের মাত্রা বেশি হলে শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। যেমন বুকে, পিঠে বা পেটে ব্যথা অথবা জ্বালাপোড়া করা ইত্যাদি। এর নামই হল অ্যাসিডিটি । এই সমস্যাটি ছোট বড় সকলের হয়ে থাকে। যারা ঘরের তুলনায় বাহিরের খাবারটা বেশি খেয়ে থাকেন তাঁদের অ্যাসিডিটি সমস্যাটি দেখা দেয় যেমন- ভাজাপোড়া ও তেল-মসলাযুক্ত খাবার ইত্যাদি। ভেজালযুক্ত খাবারও অ্যাসিডিটির অন্যতম একটি কারণ হতে পারে। তাই সতর্কতা বজায় রাখলে অ্যাসিডিটি সহজেই প্রতিরোধ করা সম্ভব। http://bangla24health.blogspot.com http://bangla24health.blogspot.com http://bangla24health.blogspot.com অ্যাসিডিটি উপশমের জন্য অনেকেই অনেকের কাছে পরামর্শ নিয়ে থাকি। তবে অ্যাসিডিটি যদি হয়েই যায়, তবে তা উপশমের ব্যবস্থা করাই শ্রেয়। থাকি।পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া ঘরোয়া উপায়েও অ্যাসিডিটির যন্ত্রণা উপশম করা যায়। আসুন জেনে নেয়া জাক অ্যাসিডিটির যন্ত্রণা উপশমের কৌশলগুলো –—————– ১. পুদিনা পাতার রসও অ্যাসিডিটির যন্ত্রণা উপশমে খুবই উপকারী। টাটকা পুদিনা পাতার রস করে খেলে অ্যাসিডিটির সমস্যা দূর হয়ে যায়। ক্রন...

নাক দিয়ে রক্ত পড়লে

 হঠাৎ করে নাক দিয়ে রক্ত পড়লে সবাই ঘাবড়ে যান বৈকি। সাধারণত শিশু ও বৃদ্ধদের নাক দিয়ে রক্ত পড়ার ঘটনা বেশি ঘটে। নানা কারণে নাক দিয়ে রক্ত পড়তে পারে। আমাদের নাকের ভেতরের রক্তনালি খুব স্পর্শকাতর এবং সামান্য আঘাত, এমনকি জোরে ঘষা খেলেও তা ছিঁড়ে যেতে পারে এবং রক্তপাত হয়। কী কী কারণে রক্তপাত হয়? নাক থেকে রক্তপাত হতে পারে নাকের নিজের সমস্যায় আবার দেহের অন্যান্য কিছু সমস্যায়ও। http://bangla24health.blogspot.com http://bangla24health.blogspot.com http://bangla24health.blogspot.com/ নাকের সমস্যাগুলো হলো সাধারণত আঘাতজনিত। যেমন: নাকে কোনো ভোঁতা বস্তুর আঘাত, বাইরের বস্তু ঢোকা, নাক খুঁটার সময় নখের আঘাত ইত্যাদি। আবার নাকের পলিপ, সাইনোসাইটিস, প্রদাহ ইত্যাদি কারণেও রক্তপাত হতে পারে। নাক ছাড়া শরীরের অন্যান্য জায়গায়, বিশেষ করে মাথায় আঘাত, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ, রক্তস্বল্পতা বা অন্য কোনো রক্তরোগ, রক্ত জমাট বাঁধতে সমস্যা হয়, এমন কোনো রোগ যেমন প্লাটিলেট কমে যাওয়া, ক্যানসার বা লিউকেমিয়া ইত্যাদিতে নাক দিয়ে রক্তপাত হতে পারে। কিছু ওষুধ যেমন অ্যাসপিরিন, আইবুপ্রফেন ইত্যাদি সেবন করলেও কারও কারও কখনো রক্তপাত...

''সেলফি’ জোয়ার'' মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করছে ‘সেলফি’ জোয়ার

Image
হালের সেলফি জোয়ারে কম ওজনের, হালকা-পাতলা দেহ অনেকেরই প্রিয় থেকে প্রিয়তর হয়ে উঠছে। আর এ জোয়ারে গা ভাসিয়ে দিয়ে ওজন কমাতে গিয়ে অনেকেই মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হাফিংটন পোস্ট । ‘সেলফি ডকুমেন্টেশন’ এক্ষেত্রে একটি বড় বিষয়। অনেকেই নিজের ওজন কমানোর জন্য খাবার কমিয়ে দিয়েছেন। এরপর নিজের দেহের পরিবর্তন সেলফির মাধ্যমে অনলাইনে তুলে রাখছেন। এ প্রবণতার কারণে খাবার কম গ্রহণ করার প্রবণতা তৈরি হচ্ছে। এ প্রবণতায় অসুস্থতার ঝুঁকি অনেক বেড়ে গেছে। বিষয়টিকে ‘ইটিং ডিজঅর্ডার’ হিসেবেই দেখছেন অনেক চিকিৎসক। এ প্রসঙ্গে যুক্তরাজ্যের ড. অ্যালেক্স ইয়েলোলেস বলেন, ‘কিছু মানুষ তাদের অসুস্থতার বিভিন্ন পর্যায়কে ছবিতে তুলে রাখছেন এবং তা বিভিন্ন মানুষের কাছে পাঠাচ্ছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘তারা তাদের অসুস্থতার রেকর্ড সংরক্ষণ করছেন এবং তার বিভিন্ন পর্যায় অন্যদের পাঠাচ্ছেন। এতে তারা একটি অসুস্থতার দিকে ধাবিত হচ্ছেন এবং অন্যদেরও এতে উদ্বুদ্ধ করছেন।’

ব্যথার জন্য দোকান থেকে ডাইক্লোফেন, ন্যাপরোক্সেন

Image
http://bangla24health.blogspot.com ব্যথার জন্য দোকান থেকে ডাইক্লোফেন, ন্যাপরোক্সেন বা আইবুপ্রোফেন-জাতীয় শক্তিশালী ব্যথানাশক বড়ি দু-একটা খেয়ে নেওয়ার অভ্যাস আছে অনেকেরই। http://bangla24health.blogspot.com  বিশেষ করে বাত, আথ্রাইটিস বা মাইগ্রেনের রোগীরা এ ধরনের অভ্যাসে আক্রান্ত।কিন্তু আপনি কি জানেন, না জেনে, না বুঝে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যথানাশক বড়ি খেলে কিডনি বিকলের মতো মারাত্মক বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে যখন-তখন? দীর্ঘদিনের ব্যথার রোগী, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের রোগী, ধূমপায়ী, যারা ঘুমের বড়ি খেয়ে অভ্যস্ত ও বয়স্ক রোগীদের মধ্যে এই ঝুঁকি আরও বেশি।বাজারে প্রচলিত ব্যথানাশক বড়িকে চিকিৎসকেরা এনএসএআইডি বা নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ওষুধ বলে থাকেন। এর সব কটিই কিডনির রক্তপ্রবাহ কমিয়ে ক্ষতি করতে পারে। দীর্ঘদিন এসব ওষুধ খেলে প্রস্রাবের সঙ্গে আমিষ ও রক্ত বের হওয়াসহ ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত করতে পারে, যা বোঝা যাবে রক্তশূন্যতা, পায়ে-মুখে পানি আসা বা প্রস্রাব কমে যাওয়ার লক্ষণের মাধ্যমে। অনেক সময় ঝুঁকিপূর্ণ রোগী...

Oil তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণের সমস্যা বেশি হয়ে থাকে

Image
তৈলাক্ত ত্বক – চিকিৎসকেরা বলেন আশীর্বাদ, তবে যাদের এইধরণের ত্বক তারা সবসময়ই বিপদে পড়ে যান মুখে কোন প্রোডাক্ট ব্যবহার করবেন তা নিয়ে।  তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণের সমস্যা বেশি হয়ে থাকে, এছাড়া তেলের কারণে মেকাপ গলে যাওয়া বা কালো লাগা অনেক বড় সমস্যা। আমার নিজেরও ত্বক খুব তৈলাক্ত, বিভিন্ন সময়ে এই নিয়ে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে, অনেকদিনের পরীক্ষা নীরিক্ষার পর যেসব প্রোডাক্ট আমার ত্বকে স্যুট করে সেগুলো নিয়েই আজকের পোস্ট। এখানে পাঠকের সুবিধার্থে কিছু তথ্য দিয়ে দিচ্ছি, আমার বয়স ২৪, ত্বকের ধরণ সেনসিটিভ এবং তৈলাক্ত, ব্রণের সমস্যা আগে প্রচুর ছিলো, এখন কিছুটা কম। ফেইসওয়াশঃ হিমালায় নিম(২০০ টাকা), পন্ডস পিওর হোয়াইট(২২০ টাকা) স্ক্রাবঃ সেন্ট আইভস ব্লেমিশ কন্ট্রল (৪৫০ টাকা) মেকাপ রিমুভারঃ লরিয়াল মিল্ক ক্লিঞ্জার (পিংক) (৬৫০ টাকা) বিবি ক্রিমঃ মিশা বিবি ক্রিম (দেশে পাবেন না,অনলাইন অর্ডার) (২৭ ইউএসডি), পন্ডস বিবি ক্রিম (২৬০ টাকা) ফাউন্ডেশনঃ ক্যাট ভন ডি ফাউন্ডেশন (দেশে পাবেন না,অনলাইন অর্ডার) (৩৪ ইউএসডি),ম্যাক ফেইস এন্ড বডি ফাউন্ডেশন (দেশে পাবেন না,অনলাইন ...

All Hotel এর ফোন নাম্বার Dhaka City

Image
 All Hotel এর ফোন নাম্বার  Dhaka City নবাবপুর থেকে সদরঘাটের এলাকার ভিতর অনেক নামী এবং ভালো মানের সস্তায় হোটেল পাওয়া যায়। এমিনিতে ঢাকাতে প্রতি এলাকায় প্রচুর আবাসিক হোটেল পাবেন। আবার এলাকা বুঝে দাম নির্ধারণ ও হয়, যেমন গুলশান ধানমন্ডি বারিধারা এক্সক্লুসিভ জোন আর হটল গুলো ও তাই এক্সক্লুসিভ। একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন, বেশিরভাগ আবাসিক হোটেলের ব্যবসা গুলো করে থাকে সিলেটি লোকজন,আমার মনে হই এরা ব্যবসাটা ভালো বুঝে। আবার কোনো কোনো এলাকার হোটেল আবার ঐতিহাসিক দেহ ব্যবসার সাথে জড়িত। হোটেলে মাগী চোদা ও মাগীর দালাল দের আনাগোনা থাকে। হোটেল এর নিচের রুম এ হোটেল মাগিদের ফোন নম্বর ও থাকে। এই গুলা এড়িয়ে চলা ভালো। যেমন মগবাজার এলাকার হোটেল+মহাখালী থেকে বনানী,পুরানা পল্টন,তোপখানা রোড, গুলিস্তানের এবং নবাব্পুরেও আছে। তাই সাবধান.আবার ফকিরাপুলে প্রচুর থাকার আবাসিক হোটেল আছে। উত্তরা এয়ারপোর্ট হাজী কাম্পের সামনে মোটামুটি মানের সস্তায় হোটেল পাবেন। ছোটবেলায় শুনতাম চিত্কাত বোডিং। চিত হইলে ১ টাকা আর কাত হইলে ৫০ পয়সা। ঢাকার আবাসিক Hotel ( সংগ্রহ করা ) Hotel in Dhaka Hotel in Dhaka Contact Address of Dha...

পিরিয়ডের সময় যে কাজগুলো করা থেকে বিরত থাকবেন.............

Image
একজন নারী যে শারীরিকভাবে সুস্থ এবং গর্ভধারণে সক্ষম, তার অন্যতম চিহ্ন হলো নিয়মিত মাসিক বা পিরিয়ড। পিরিয়ডের দিনগুলো অন্য স্বাভাবিক দিনগুলোর চেয়ে একটু ভিন্ন রকম থাকে। হরমোনাল কারণে কিছু শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন সাধিত হয়। পিরিয়ডের সময় নারীদের শরীর অন্য সময়ের তুলনায় একটু বেশি নাজুক থাকে। অনেকের জরায়ু নিচের দিকে নেমে আসে, তলপেট স্ফীত হয়, ব্যথা করে, এমনকি বমিও হয়। কিছু কাজ রয়েছে যা এ সময়ে করলে শরীরের অবস্থার আরো অবনতি হতে পারে। এ সময়ে করা যাবে না এমন কোনো কাজ যা শরীরের ক্ষতির কারণ হতে পারে। উপুড় হয়ে শোয়া অনেকেরই পেটে ভীষণ ব্যথা থাকে বলে পেটে চাপ দিয়ে শুয়ে থাকেন। উপুড় হয়ে শুয়ে থাকলে তা পেটে এমনভাবে চাপ ফেলে যে সেটা মোটেও ভালো নয়। এছাড়া এ সময় উপুড় হয়ে শুলে হার্ট রেটে তারতম্য হয়, রক্ত সঞ্চালন ব্যাহত হয় এবং অক্সিজেন ঠিকমতো সরবরাহ হয় না বলে মাথা ঝিমঝিম বা ব্যথা করে। ভারী জিনিস তোলা নারীদের যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যঙ্গ থাকে তাদের পেটে। যেমন জরায়ু বা ডিম্বাশয়। তাই খুব বেশি ভারী জিনিস টেনে তোলা নারীদের জন্য ভালো নয়। আর পিরিয়ডের সময় তো একেবারেই নয়। ভারী ব্যায়াম পিরিয়ডের সময় ভারী কোনো ব্যায়াম করা...
Image
ভালোবাসার অনুভূতি যে সম্পূর্ণ আলাদা তা কে না জানে! গভীর ভালোবাসা মনে সুখের দোলা দিয়ে যায়। আর প্রকৃতপক্ষে সুখই সুস্বাস্থ্য বয়ে আনে। সুখে থাকার জন্য ভালো থাকা প্রয়োজন। আর ভালো থাকতে হলে ভালোবাসার বিকল্প নেই। ভালোবাসা ব্যাপারটা পুরোটাই মানসিক। তবে ভালোবাসা মনের অন্তর্নিহিত সুক্ষ্ম ঘটনা হলেও তা শরীরের উপর অনেক প্রভাব ফেলে। নতুন সম্পর্কের অস্থিতিশীলতা যদিও দুশ্চিন্তার কারণ, তবে দীর্ঘদিনের মজবুত ও পরিতৃপ্ত ভালোবাসার সম্পর্ক স্বাস্থ্য রক্ষায় ভীষণ উপযোগী বলেই মনে করেন মনোবিজ্ঞানীরা। এনসাইক্লোপিডিয়া মানব সম্পর্ক বিভাগের সহ সম্পাদক হ্যারি রেইস জানান, কারও সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হওয়া, কারও সম্মান ও মূল্য পাওয়া ব্যাপারগুলো মানুষের মনে একাত্মতাবোধের জন্ম দেয়। কাউকে ভালোবাসা ও কারও ভালোবাসা পাওয়া, দু’টোর মধ্যেই রয়েছে অনাবিল আনন্দ ও সুখানুভূতি। শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর ভালোবাসার প্রভাব কতটা রয়েছে তা নির্ভর করে রেইস কিছু যুক্তিও দাঁড় করিয়েছেন। চলুন দেখে নিই। ১। ডাক্তার বাড়ির ছুটি রেইস জানান, আসলে কারও কাছেই এর সঠিক ব্যাখ্যা নেই যে, প্রেমের সম্পর্ক কেন স্বাস্থ্যের জন্য ভালো! তিনি একটি গবেষণা...